
ভোলা জেলা প্রতিনিধি: কোরিয়া ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি (KOICA) অর্থায়নে ও ইউনিসেফের সহযোগীতায় ইকো-সোশ্যাল ডেভলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (ইএসডিও) এর বাস্তবায়নে,Alternative Learning Programme (ALP) ভোলা জেলাসহ ৪টি জেলায় চলমান রয়েছে। বাজারে প্রচলিত হস্তান্তরযোগ্য দক্ষতার জন্য ইকো সিস্টেম ভিত্তিক বিকল্প শিক্ষা প্রোগ্রাম (ALP) এর মাধ্যমে সবচেয়ে সুবিধাবঞ্চিত কিশোর-কিশোরীর ক্ষমতায়নের লক্ষে। গত ২০২৩ সাল থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত তাদের প্রকল্পের কার্যক্রম সম্পর্কে আলোচনা করা হয় ।
ইএসডিওর সহকারী প্রোগ্রাম ম্যানেজার জিনাত আরা বিশ্বাস এর সভাপতিত্বে লার্নিং শেয়ারিং মিটিং প্রধান অতিথি হিসেবে আমন্ত্রিত ছিলেন ভোলা জেলা প্রশাসক মো. মিজানুর রহমান (ভারপ্রাপ্ত)। তিনিই উক্ত মিটিংর শুভ উদ্বোধন করেন ও বক্তব্য রাখেন। চাকুরিদাতা ও চাকুরিপ্রাপ্তদের সাথে তাদের জীবন পরিবর্তনের বিষয়ে আলোচনা করেন এবং বিভিন্ন দিকনির্দেশনা মূলক কথা বলেন।
অ্যাসিসটান্ট মনিটরিং এন্ড ডকুমেন্টেশন অফিসার মো. রনি হোসেনের সঞ্চালনায় অতিথি হিসেবে উপস্থিত অনিন্দ্য মন্ডল অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি), মো: আরিফুজ্জামান ভোলা উপজেলা নির্বাহী অফিসার, মোহাম্মদ আজম সহকারী কমিশনার ( সাধারণ শাখা), সাইয়েদ মাহমুদ বুলবুল সহকারী কমিশনার (শিক্ষা শাখা) মো: শাহ আবদুর রহিম নূরনবি জেলা তথ্য কর্মকর্তা ও আফনান হক তথ্য আপা ছিলেন, আরো উপস্থিত ছিলেন এএলপি সেন্ট্রাল মনিটরিং এন্ড ডকুমেন্টেশন অফিসার মো: শাহাদাত হোসেন। সার্বিক সহযোগিতায় ইএসডিও এএলপি এর সকল উন্নয়ন কর্মী উপস্থিত ছিলেন।
প্রজেক্ট ম্যানেজার মো. শাহরিয়ার মাহমুদের (হেড অব টিভেট) দিকনির্দেশনায় সহকারী প্রোগ্রাম ম্যানেজার জিনাত আরা বিশ্বাস বলেন, আমরা ইউনিসেফের সাথে অংশীদারিত্বের ভিত্তেতে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা থেকে ঝরে পড়া সবচেয়ে প্রান্তিক কিশোর-কিশোরী (১৫-২৪ বছর) চ্যালেঞ্জ এবং সুযোগগুলি চিহ্নিত করে, বাজারের সুযোগ, চাহিদা, পরিষেবা প্রদানকারী বা দক্ষতার সুযোগ অন্বেষণ করে দেশের সাতটি নির্বাচিত জেলা ভোলা, বরিশাল, সাতক্ষীরা, বাগেরহাট, গাজীপুর, শেরপুর ও জামালপুর জেলায় অল্টারনেটিভ লার্নিং প্রোগ্রাম (ALP) এর মাধ্যমে দক্ষতা উন্নয়ন ও প্রশিক্ষণ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে ।
কারিগরি প্রশিক্ষণের পাশাপাশি ইএসডিও এএলপির সাথে সংশ্লিষ্ট সকল সুবিধাভোগীদের মাঝে PSEA, Safeguarding, জীবন দক্ষতা এবং সরকারি সকল প্রকার Hotline ব্যবহারে সচেতনতা মূলক প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। আলোচনায় প্রকল্পের সার্বিক বিষয় গুলো সংক্ষেপে তিনি বলেন, আমরা ইকো-সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (ESDO) কে প্রতিনিধিত্ব করি। ইকো-সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (ESDO) জীবিকা, দক্ষতা উন্নয়ন, স্বাস্থ্য ও শিক্ষার ক্ষেত্রে গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর সামগ্রিক উন্নয়নের জন্য প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে। যেমন পানি ও স্যানিটেশন, পুষ্টি, মা ও শিশুর স্বাস্থ্য সেবা বৃদ্ধি পর্যবেক্ষণ, টিকাদান, আর্সেনিক প্রশমন এবং বাংলাদেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর উন্নয়নের চাহিদাকে গুরত্ব দিয়ে ১৯৮৮ সালের সূচনালগ্ন থেকে ESDO এর লক্ষ্য “আমরা সকল বৈষম্যমুক্ত একটি ন্যায়ভিত্তিক সমাজ চাই”।