রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ১২:০৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কেরানীগঞ্জে কৃতি শিক্ষার্থীদের সম্মাননা, মাদক ও সন্ত্রাস নির্মূলে সম্মিলিত উদ্যোগের আহ্বান– আমান উল্লাহ আমান উত্তরা পূর্বে কোরআন অধ্যয়ন প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত পরীক্ষা সম্পন্ন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ৫০ নং ওয়ার্ডে কাউন্সিলর হিসেবে আব্দুস সালাম সরকারকে দেখতে চায় এলাকাবাসী নাঙ্গলকোট কমিউনিটি ক্লাবের আত্মপ্রকাশে ইফতার মাহফিল ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত উত্তরায় শিল্পী সংস্থার ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের পাইলট ও ক্রু উদ্ধারে সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী উদ্যোগে উত্তরা এলাকায় মশক নিধন কর্মসূচির উদ্বোধন আমার প্রতিটি ওয়াদা অক্ষরে অক্ষরে পালন করবো— এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন এমপি মহান শহীদ দিবসে উত্তরা পশ্চিম থানায় আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠিত হাজী সাইদ ল্যাবরেটরি স্কুলে দুই দিনব্যাপী একুশের বইমেলা ও সুন্দর হস্ত লিখন প্রতিযোগিতা

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে কাপড় বিক্রেতা হত্যা মামলায় নবীনগরের যুবলীগ নেতা গ্রেপ্তার

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি:
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ২ নভেম্বর, ২০২৫
  • ১০২ বার পড়া হয়েছে

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি : রাজধানীর মিরপুরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় কাপড় বিক্রেতা আনোয়ার হোসেনকে গুলি ও কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে দায়ের করা মামলার এক আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃতের নাম মেহেদী হাসান (২৭)। তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার ব্রাহ্মণহাতা গ্রামের কামরুজ্জামানের ছেলে এবং নবীনগর উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতা বলে পুলিশ জানিয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি ঢাকার ভাটারা থানা এলাকায় স্থানীয় জনগণের সহযোগিতায় মেহেদী হাসানকে আটক করা হয়। পরে তাকে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়। যাচাই-বাছাই শেষে পুলিশ জানতে পারে, তার বিরুদ্ধে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মিরপুর মডেল থানায় ২০১৫ সালের একটি হত্যা মামলা রয়েছে (মামলা নং–৭, তারিখ– ০২ আগস্ট, ২০১৫)। বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর ভাটারা থানা পুলিশ মিরপুর মডেল থানাকে অবহিত করে এবং পরে ওই থানার পুলিশ এসে তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে প্রেরণ করে।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সকাল ১০টার দিকে মিরপুর ১০ নম্বর গোল চত্বরে “কোটা সংস্কার ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন” সমর্থনে একটি শান্তিপূর্ণ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। নিহত আনোয়ার হোসেন, যিনি পেশায় কাপড় বিক্রেতা, তার ভাইয়ের সঙ্গে মিছিলে অংশ নিয়েছিলেন।

এজাহারে অভিযোগ করা হয়, মিছিলটি দমন করতে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা পুলিশের সহায়তায় অংশগ্রহণকারীদের ওপর সশস্ত্র হামলা চালায়। তারা নির্বিচারে গুলি, টিয়ারশেল ও ককটেল নিক্ষেপ করে। হামলার সময় আনোয়ার হোসেনের পেটে ও কপালে গুলি লাগে এবং পরে রামদা দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করা হয়। রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এই ঘটনায় দায়ের করা হত্যা মামলায় মেহেদী হাসান ৪৪ নম্বর আসামি। পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে হত্যাকাণ্ডে তার সরাসরি জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ রয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদের সময় মেহেদী হত্যাকাণ্ড নিয়ে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছে, যা পুলিশ বর্তমানে যাচাই করছে।

এছাড়া মেহেদী হাসানের বিরুদ্ধে ব্রাহ্মণবাড়িয়া, নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা ও সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ, বিস্ফোরক আইন ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে আরও একাধিক মামলা রয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, মামলার তদন্তের স্বার্থে মেহেদী হাসানকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন আদালতে দাখিল করা হয়েছে।

এ বিভাগের আরো সংবাদ
©2020 All rights reserved
Design by: POPULAR HOST BD
themesba-lates1749691102