শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:৩১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কেরানীগঞ্জে কৃতি শিক্ষার্থীদের সম্মাননা, মাদক ও সন্ত্রাস নির্মূলে সম্মিলিত উদ্যোগের আহ্বান– আমান উল্লাহ আমান উত্তরা পূর্বে কোরআন অধ্যয়ন প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত পরীক্ষা সম্পন্ন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ৫০ নং ওয়ার্ডে কাউন্সিলর হিসেবে আব্দুস সালাম সরকারকে দেখতে চায় এলাকাবাসী নাঙ্গলকোট কমিউনিটি ক্লাবের আত্মপ্রকাশে ইফতার মাহফিল ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত উত্তরায় শিল্পী সংস্থার ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের পাইলট ও ক্রু উদ্ধারে সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী উদ্যোগে উত্তরা এলাকায় মশক নিধন কর্মসূচির উদ্বোধন আমার প্রতিটি ওয়াদা অক্ষরে অক্ষরে পালন করবো— এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন এমপি মহান শহীদ দিবসে উত্তরা পশ্চিম থানায় আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠিত হাজী সাইদ ল্যাবরেটরি স্কুলে দুই দিনব্যাপী একুশের বইমেলা ও সুন্দর হস্ত লিখন প্রতিযোগিতা

ভূঞাপুরে জামায়াতের পথসভায় উত্তেজনা—হামলা, ভাঙচুর ও হুমকির অভিযোগে থানায় দুটি জিডি

খন্দকার আউয়াল ভাসানী (টাংগাইলে)
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ১২ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ১২৭ বার পড়া হয়েছে

খন্দকার আউয়াল ভাসানী (টাংগাইলে): টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর উপজেলার ফলদাবাজারে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর একটি নির্বাচনী পথসভা শেষে হামলা, হুমকি ও ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় থানায় দুটি সাধারণ ডায়রি (জিডি) করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত ওই পথসভায় উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইল-২ আসনের জামায়াত মনোনীত এমপি প্রার্থী হুমায়ুন কবির, দলীয় আমির আব্দুল্লাহ আল মামুনসহ স্থানীয় নেতারা।

জামায়াত নেতাদের অভিযোগ, সভা চলাকালে স্থানীয় বিএনপি, ছাত্রদল ও যুবদলের একটি গ্রুপ মিছিল নিয়ে বারবার সমাবেশস্থল ঘিরে ফেলে এবং উসকানিমূলক স্লোগান দেয়। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে জামায়াত নেতারা পূর্ব দিক দিয়ে স্থান ত্যাগ করেন।
এরপর অভিযোগ আসে—বিএনপি ও ছাত্রদল সমর্থিত ২০–২৫ জনের একটি দল জামায়াতের ফলদা ইউনিয়ন শাখার সেক্রেটারি মিজান (৪২)-এর ওপর হামলা ও প্রাণনাশের হুমকি দেয়। এ বিষয়ে তিনি ভূঞাপুর থানায় জিডি (নং–৪৮১) করেন। মিজান জানান, তাঁকে বাড়িঘর ভাঙচুর, আগুন দেওয়ার ভয়, ব্যবসা বন্ধ করে দেওয়া এবং জামায়াতে ভোট দিলে ভোটকেন্দ্রে যেতে বাঁধা দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়েছে। তিনি আরও বলেন, এর আগেও তাঁর ব্যবসা নিয়ে হুমকি দেওয়া হয়েছিল।
এদিকে জামায়াত নেতা মো. সুজন মিয়া আরেকটি অভিযোগ (জিডি নং–৪৬২) দাখিল করেন। তাঁর অভিযোগ, বিএনপি ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা পথসভাস্থলে হামলা চালিয়ে ৪৭টি চেয়ার, হ্যালোজেন লাইট ও টেবিল ভাঙচুর করে। হামলায় স্থানীয় ব্যবসায়ী ইব্রাহিম হোসেন মারাত্মকভাবে আহত হন। ইব্রাহিম জানান, তিনি বিএনপি করলেও তাঁর ছেলে জামায়াতে যুক্ত হওয়ায় তাঁকেও হুমকি ও প্রহার করা হয়েছে। ঘটনার পর ভূঞাপুর থানার অফিসার-ইন-চার্জ মোহাম্মদ সাব্বির রহমান ও ওসি তদন্ত মো. আনোয়ার হোসেন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। ওসি সাব্বির রহমান বলেন, “আইনগত প্রক্রিয়া চলমান আছে। সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের স্বার্থে আমরা দল–পরিচয় বিবেচনা করি না। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মাহাবুব হাসান সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানান, ঘটনাটিকে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতিতে বিবেচনা করা হচ্ছে। তিনি বলেন, “গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া ব্যাহত করার যেকোনো অপরাধ কঠোর আইনি ব্যবস্থার আওতায় আনা হবে। দল–পরিচয় নির্বিশেষে সহিংসতায় জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোরতম ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়, প্রমাণ সংগ্রহ করা হয়েছে এবং অপরাধীদের শনাক্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শান্তি–শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সকল পক্ষকে আইন মেনে চলার আহ্বান জানানো হয়।

এ বিভাগের আরো সংবাদ
©2020 All rights reserved
Design by: POPULAR HOST BD
themesba-lates1749691102