রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ১২:২৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কেরানীগঞ্জে কৃতি শিক্ষার্থীদের সম্মাননা, মাদক ও সন্ত্রাস নির্মূলে সম্মিলিত উদ্যোগের আহ্বান– আমান উল্লাহ আমান উত্তরা পূর্বে কোরআন অধ্যয়ন প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত পরীক্ষা সম্পন্ন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ৫০ নং ওয়ার্ডে কাউন্সিলর হিসেবে আব্দুস সালাম সরকারকে দেখতে চায় এলাকাবাসী নাঙ্গলকোট কমিউনিটি ক্লাবের আত্মপ্রকাশে ইফতার মাহফিল ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত উত্তরায় শিল্পী সংস্থার ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের পাইলট ও ক্রু উদ্ধারে সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী উদ্যোগে উত্তরা এলাকায় মশক নিধন কর্মসূচির উদ্বোধন আমার প্রতিটি ওয়াদা অক্ষরে অক্ষরে পালন করবো— এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন এমপি মহান শহীদ দিবসে উত্তরা পশ্চিম থানায় আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠিত হাজী সাইদ ল্যাবরেটরি স্কুলে দুই দিনব্যাপী একুশের বইমেলা ও সুন্দর হস্ত লিখন প্রতিযোগিতা

ঢাকা–১৮ আসনে বিএনপির মনোনয়ন ঘিরে দ্বন্দ্ব, জাহাঙ্গীর–কফিল–সেগুন তিন পক্ষের তীব্র প্রতিযোগিতা

উত্তরা প্রতিনিধি :
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ২৮ নভেম্বর, ২০২৫
  • ১১৩ বার পড়া হয়েছে

উত্তরা প্রতিনিধি : জাতীয় নির্বাচনের মনোনয়নকে কেন্দ্র করে ঢাকার উত্তরা এলাকায় বিএনপির রাজনীতিতে তীব্র উত্তাপ বিরাজ করছে। মনোনয়ন পাওয়ার লক্ষ্যে বিভিন্ন পক্ষের নেতারা একে অপরের বিরুদ্ধে বিষোদগার করছেন, যা স্থানীয় রাজনীতিতে দ্বন্দ্ব বাড়িয়ে তুলেছে। অন্যদিকে ৫ আগস্টের পর পরিচ্ছন্ন ও পরিবর্তনের রাজনীতির ডাক দিয়ে উঠে আসা তৃতীয় একটি পক্ষও ভোটারদের নজর কাড়ছে, যদিও তাদের এবার কোনো প্রার্থী নেই।

স্থানীয় সূত্র জানায়, ঢাকা–১৮ আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী এস এম জাহাঙ্গীরকে ঠেকাতে মহানগর উত্তর বিএনপির কয়েকজন যুগ্ম আহ্বায়ক ও সদস্য সচিব এক হয়েছেন। তারা সবাই মনোনয়ন প্রত্যাশী। অন্যদিকে জাহাঙ্গীরের পক্ষে দু’জন যুগ্ম আহ্বায়কসহ একাধিক নেতা মাঠে সক্রিয়। তাদের দাবি, তৃণমূল পর্যায়ে সমর্থন জাহাঙ্গীরের দিকেই বেশি।

বিএনপির কেন্দ্রীয় সূত্র বলছে, ২০২০ সালের উপনির্বাচনে ধানের শীষের প্রার্থী ছিলেন এস এম জাহাঙ্গীর। এবারও তার মনোনয়ন পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি। তবে জোট শরীকদের দাবি বিবেচনায় এ আসনটি এখনো চূড়ান্ত তালিকায় প্রকাশ হয়নি।

এই সুযোগে স্থানীয়তার বিষয়টি সামনে এনে একটি নতুন বলয় সক্রিয় হয়।
এ বলয়ে প্রথম সারিতে যার নাম তিনি এম কফিল উদ্দিন, যিনি স্থানীয় প্রার্থী ও ক্লিন ইমেজের ব্যক্তিকে মনোনয়ন দেওয়ার দাবি সামনে আনেন।তিনি বলেন কোন চাঁদাবাজক,দখলদারদের যেন নমিনেশন না দেওয়া হয়। তারপরই মহানগর বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান সেগুন আলোচনায় আছেন তিনি বলেন আমদানি করা প্রার্থী না দিয়ে স্থানীয়দের মধ্য থেকেই মনোনয়ন দেওয়ার কথা বলেন। আরেকজন নেতা “মাটির সন্তানের প্রার্থী” দাবি তুলে আরও একধাপ এগিয়ে যান।

জাহাঙ্গীরপন্থীদের দাবি—যারা স্থানীয়তার কথা বলছেন তাদের সাথে প্রকৃত স্থানীয়ের সংখ্যা ২০ শতাংশেরও কম। বিএনপির একজন নেতার হিসেবে, ঢাকা–১৮ আসনে মোট ভোটারের মাত্র ২০ শতাংশ স্থানীয়, এবং তাদের বেশিরভাগই আওয়ামী রাজনীতির সাথে যুক্ত। বিএনপির সক্রিয় স্থানীয় ভোটার ২০–২৫ হাজার, যার অর্ধেকও স্থানীয়তার দাবি তোলা নেতাদের সাথে নেই।

এদিকে দখল–চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া পরিচ্ছন্ন রাজনীতির তৃতীয় বলয়ও শক্ত অবস্থান তৈরি করেছে। ২০১৮ সালের নির্বাচনে তাদের প্রভাব দেখা গিয়েছিল। এবারও তারা সাধারণ ভোটারদের মধ্যে আলোচিত, যদিও তারা দুই পক্ষের কোনো দিকেই অবস্থান নিচ্ছে না।

জোট-সমীকরণের কারণে এ আসনে ধানের শীষের ভাগ্য ঝুলে আছে। এনসিপির নেতা নাসির উদ্দিন পাটোয়ারী ইতোমধ্যে নির্বাচনের ঘোষণা দিয়েছেন। বিএনপি–জোট হলে তিনিই প্রার্থী হতে পারেন। পাশাপাশি জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহত মীর মুগ্ধের ভাই মীর সিগ্ধও মনোনয়ন চাইছেন।

দক্ষিনখান থানার একজন শীর্ষ নেতা জানান, সদস্য সচিব মোস্তফা জামানের মনোনয়ন পাওয়ার সম্ভাবনা কম হলেও এস এম জাহাঙ্গীরের প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে এম কফিল উদ্দিন এবং মোস্তাফিজুর রহমান সেগুন—দুজনেই ভালো অবস্থান তৈরি করেছেন। চূড়ান্ত মনোনয়ন পেতে আরও কিছুদিন অপেক্ষা করতে হবে।

এ বিভাগের আরো সংবাদ
©2020 All rights reserved
Design by: POPULAR HOST BD
themesba-lates1749691102