শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:৪০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কেরানীগঞ্জে কৃতি শিক্ষার্থীদের সম্মাননা, মাদক ও সন্ত্রাস নির্মূলে সম্মিলিত উদ্যোগের আহ্বান– আমান উল্লাহ আমান উত্তরা পূর্বে কোরআন অধ্যয়ন প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত পরীক্ষা সম্পন্ন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ৫০ নং ওয়ার্ডে কাউন্সিলর হিসেবে আব্দুস সালাম সরকারকে দেখতে চায় এলাকাবাসী নাঙ্গলকোট কমিউনিটি ক্লাবের আত্মপ্রকাশে ইফতার মাহফিল ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত উত্তরায় শিল্পী সংস্থার ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের পাইলট ও ক্রু উদ্ধারে সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী উদ্যোগে উত্তরা এলাকায় মশক নিধন কর্মসূচির উদ্বোধন আমার প্রতিটি ওয়াদা অক্ষরে অক্ষরে পালন করবো— এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন এমপি মহান শহীদ দিবসে উত্তরা পশ্চিম থানায় আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠিত হাজী সাইদ ল্যাবরেটরি স্কুলে দুই দিনব্যাপী একুশের বইমেলা ও সুন্দর হস্ত লিখন প্রতিযোগিতা

চিতলমারীতে স্কুলে অজানা রহস্যময় রোগে আক্রান্ত হচ্ছে শিশুরা/ ঝুঁকিপূর্ণ ঝাড়ফুঁকে অভিভাবকদের ভরসা

অরুণ কুমার সরকার চিতলমারী (বাগেরহাট) প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ১৯ নভেম্বর, ২০২৫
  • ১২৪ বার পড়া হয়েছে

অরুন কুমার সরকার(বাগেরহাট)প্রতিনিধি: চিতলমারী উপজেলার কলিগাতী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পাঠদানকালে শিশুরা হঠাৎ খিঁচুনি উঠে অসুস্থ হয়ে পড়ছে।

ওই বিদ্যালয়ের পাঠদানের সময় শ্রেণিকক্ষেই চতুর্থ ও পঞ্চম শ্রেণির পাঁচ শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়ে। অসুস্থ শিক্ষার্থীরা হলো সালিমা আক্তার, ছাব্বির রহমান, মুন্নি আক্তার, ফাতেমা আক্তার ও আয়শা আক্তার। এদের মধ্যে শিক্ষার্থী সালিমা ও ছাব্বির ১৬ নভেম্বর একইভাবে অসুস্থ হলে শিক্ষক ও অভিভাবকরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।

চিতলমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও উপজেলা শিক্ষা অফিসের উদ্যোগে শিক্ষক ও অভিভাবকগণ প্রথম দিন দুই শিক্ষার্থীকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে স্বাস্থ্য সেবা দেয়। কিন্তু পরদিন সেই দুই শিক্ষার্থী সহ আরো তিনজন অসুস্থ হয়। তাই অভিভাবকেরা এই রোগকে ‘‘জীন-পরীর আছর’’ বলে আখ্যা দিয়ে স্থানীয় কবিরাজ কিংবা হুজুরের ঝাড়ফুকের প্রতি বেশি ভরসা রাখছেন।

সরেজমিনে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, অসুস্থ শিক্ষার্থীদের প্রত্যেকের বুকে ব্যথা ওঠে এবং নিঃশ্বাস নিতে কষ্ট হয়। তাদের কাঁধ ও মুখমণ্ডল বাঁকা হয়ে যায়।

সালিমার মা হামিদা বেগম জানান, রবিবার তাঁর মেয়েকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছিল। চিকিৎসক ফিলমেট ট্যাবলেট দিয়ে সালিমাকে বাড়িতে বিশ্রাম নিতে বলেন।
সোমবার সালিমা আবার অসুস্থ হয়।

৫ম শ্রেণির অসুস্থ শিক্ষার্থী সালিমার মা হামিদা বেগম জানান, গত রবিবার তার মেয়েকে হাসপাতালে নেয়া হয়েছিল। সেখানে দুই ধরণের ট্যাবলেট দিয়ে সালিমাকে বাড়ি পাঠিয়ে দেয়। সোমবার সালিমা স্কুলে গিয়ে একই রোগে পুনরায় আক্রান্ত হয়। এই রোগ সারানো কোন ডাক্তারের কাজ নয়। এটা জীন-পরীর আশ্রয়। তাই কবিরাজ বা হুজুরই একমাত্র ভরসা।তবে শিক্ষার্থী সালিমার মা এবং চাচির (সালমা বেগম) কাছে সালিমা বলেছে, রবিবার স্কুলের টয়লেটের পাশে বসে কেউ একজন তাকে কিছু খাবার দেয়। সে সেই খাবার খাওয়ার পরক্ষণেই চোখ-মুখ অন্ধকার হয়ে আসে। এরপর সে আর কিছু জানেনা।

সালিমার চাচি সালমা বেগম (হুমায়ুন খলিফার স্ত্রী ), শিক্ষার্থীদের রক্ষার জন্য সরকারের উচ্চ পর্যায়ের চিকিৎসকদের সাহায্য চান।

চিতলমারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা অচ্যুতানন্দ দাস বলেন, রবিবার দুজন অসুস্থ হলে শিক্ষকরা তাদের হাসপাতালে নেন। সোমবার আগের সেই দুই শিক্ষার্থীসহ পাঁচজন অসুস্থ হয়।
এ সব বিষয় জানতে চাইলে বুধবার উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ সাজ্জাদ হোসেন জানান আমি নিজে অসুস্থ শিক্ষার্থীদের হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা দিয়ে সুস্থ করে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করেছি।

এ বিভাগের আরো সংবাদ
©2020 All rights reserved
Design by: POPULAR HOST BD
themesba-lates1749691102