
নিজস্ব প্রতিবেদক: আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ ঢাকা-১৮ আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশীদের মধ্যে জোর আলোচনা চলছে। দলটির তৃণমূল ও স্থানীয় নেতাকর্মীদের দাবি—আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক এম কফিল উদ্দিন আহমেদ। দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, তৃণমূলভিত্তি এবং দলের প্রতি তাঁর আত্মত্যাগের কারণে তাকে মনোনয়নের উপযুক্ত প্রার্থী হিসেবে তুলে ধরছেন সমর্থকরা।
স্থানীয় নেতাকর্মীদের দাবি, এম কফিল উদ্দিন আহমেদ প্রায় ৪০ বছর ধরে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। ছাত্ররাজনীতি থেকে উঠে এসে তিনি ধারাবাহিকভাবে দল ও স্থানীয় জনগণের সঙ্গে নিবিড়ভাবে কাজ করে গেছেন। বিএনপির বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে তাঁর সক্রিয় উপস্থিতি এবং সাংগঠনিক দক্ষতা তাকে এলাকাবাসীর কাছে পরিচিত ও গ্রহণযোগ্য মুখে পরিণত করেছে।
স্থানীয় বিএনপির একটি অংশ জানায়, বিগত সরকার আমলে তাঁর বিরুদ্ধে ১৫৭টি মামলা দেওয়া হয়েছিল এবং এসব মামলার কয়েকটিতে ১৭ বছরের সাজাও হয়েছিল বলে তারা দাবি করেছেন। তাঁদের মতে, রাজনৈতিক প্রতিকূলতা ও চাপের মধ্যেও দলের প্রতি তাঁর আনুগত্য এবং ত্যাগ তাঁকে আরও শক্তভাবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
স্থানীয় নেতাকর্মীরা বলেন—
“এত বছর ধরে দল ও জনগণের পাশে থাকা ত্যাগী এই নেতাকেই আমরা ঢাকা-১৮ আসনে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী হিসেবে দেখতে চাই। তিনি এলাকায় স্থায়ী বাসিন্দা, জনগণের সঙ্গে তাঁর সম্পর্কও দৃঢ়। ফলে তিনি এ আসনে দলকে নতুনভাবে সংগঠিত করতে পারবেন।”
তবে মনোনয়ন প্রত্যাশী আরও কয়েকজন নেতা থাকায় শেষ পর্যন্ত সিদ্ধান্ত নিতে কিছুটা সময় লাগছে বলে দলীয় সূত্র জানিয়েছে। বিএনপির কেন্দ্রীয় নীতিনির্ধারকেরা জানিয়েছেন, তৃণমূল রিপোর্ট, জনসম্পৃক্ততা ও সাংগঠনিক শক্তি বিবেচনায়ই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, রাজধানীর প্রবেশমুখ ঢাকা-১৮ আসন কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ। তাই বিএনপি এখানে এমন কাউকে বেছে নিতে চাইবে যিনি মাঠে শক্তিশালী, ত্যাগী এবং ভোটারদের কাছে গ্রহণযোগ্য। এসব বিবেচনায় এম কফিল উদ্দিন আহমেদকে ঘিরে যে আলোচনা তৈরি হয়েছে, তা নির্বাচনী সমীকরণে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।