রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ০১:৪৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কেরানীগঞ্জে কৃতি শিক্ষার্থীদের সম্মাননা, মাদক ও সন্ত্রাস নির্মূলে সম্মিলিত উদ্যোগের আহ্বান– আমান উল্লাহ আমান উত্তরা পূর্বে কোরআন অধ্যয়ন প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত পরীক্ষা সম্পন্ন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ৫০ নং ওয়ার্ডে কাউন্সিলর হিসেবে আব্দুস সালাম সরকারকে দেখতে চায় এলাকাবাসী নাঙ্গলকোট কমিউনিটি ক্লাবের আত্মপ্রকাশে ইফতার মাহফিল ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত উত্তরায় শিল্পী সংস্থার ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের পাইলট ও ক্রু উদ্ধারে সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী উদ্যোগে উত্তরা এলাকায় মশক নিধন কর্মসূচির উদ্বোধন আমার প্রতিটি ওয়াদা অক্ষরে অক্ষরে পালন করবো— এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন এমপি মহান শহীদ দিবসে উত্তরা পশ্চিম থানায় আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠিত হাজী সাইদ ল্যাবরেটরি স্কুলে দুই দিনব্যাপী একুশের বইমেলা ও সুন্দর হস্ত লিখন প্রতিযোগিতা

শ্রীকাইল গ্যাস ফিল্ড সংস্কারের চুক্তি বাতিল, নিষ্ক্রিয় হতে পারে ৪টি কূপ

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ৩১ জানুয়ারি, ২০২৬
  • ১০৫ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক: শ্রীকাইল গ্যাস ফিল্ড সংস্কারের জন্য চলমান কাজের চুক্তি বাতিল করেছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি লিমিটেড (বাপেক্স)।

সম্প্রতি এক বিজ্ঞপ্তিতে এ চুক্তি বাতিল করা হয়। ‘শ্রীকাইল গ্যাস ফিল্ডের জন্য ওয়েলহেড গ্যাস কম্প্রেসর ক্রয় ও স্থাপন’ নামে প্রকল্পটি কুমিল্লার মুরাদনগরে অবস্থিত বাপেক্স পরিচালিত একটি উৎপাদকশীল গ্যাসক্ষেত্র। দীর্ঘ দিন ধরে চারটি কূপ (কূপ নং-২, ৩, ৪ ও ইস্ট-১) থেকে গ্যাস উত্তোলনের ফলে কূপমুখের চাপ ধীরে ধীরে কমে আসছে। এর ফলে প্রক্রিয়াজাতকরণ প্ল্যান্ট ও বিক্রয় বা ট্রান্সমিশন লাইনের প্রয়োজনীয় ইনলেট চাপ বজায় রাখা কঠিন হয়ে পড়েছে।  তাই যেকোনো সময় চারটি কূপ অকেজো হয়ে পড়তে পারে।
প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে প্রক্রিয়াজাতকরণ প্ল্যান্টে গ্যাসের ইনলেট চাপ বৃদ্ধি পেতো। প্ল্যান্ট ও বিক্রয় বা ট্রান্সমিশন লাইনের নির্ধারিত অপারেটিং চাপের ভারসাম্য স্বাভাবিক থাকতো। এ ছাড়া বিদ্যামান কূপ থেকে সর্বাধিক গ্যাস উত্তোলন নিশ্চিত করা সহজ হতো।
২০২৪ সালের মার্চ মাসে প্রকল্পটির পার্চেজ অর্ডার ইস্যু করা হয়। গত ৮ জানুয়ারি চুক্তিটি বাতিল করে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি লিমিটেড (বাপেক্স)।
চুক্তিপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান এস. সি ইউরো গ্যাস সিস্টেমের কর্তৃপক্ষ জানায়, কোনো গ্রহণযোগ্য কারিগরি বা আর্থিক যুক্তি উপস্থাপন না করেই চুক্তিটি বাতিল করা হয়েছে।
ধারণা করা হচ্ছে, এই সংস্কার সম্পন্ন না হওয়ায় চারটি উৎপাদনশীল কূপ খুব দ্রুত অকার্যকর হতে পারে, এতে উল্লেখযোগ্য রাজস্ব হারাবে বাপেক্স।
সংস্কারের কারণে কম্প্রেসার বসানোর মাধ্যমে দৈনিক প্রায় ২০ এমএমএসসিএফডি অতিরিক্ত গ্যাস উৎপাদন সম্ভব হতো, যা সরাসরি এলএনজি আমদানি হ্রাসে সহায়ক ভূমিকা পালন করতো।
এ ছাড়া ১৭৮ কোটি টাকায় কাজটি সম্পন্ন করার চুক্তি থাকলেও নতুন করে সরকার টেন্ডার আহ্বান করলে প্রকল্প ব্যায় ৩৫০ কোটি টাকার বেশি সরকারের ব্যয় হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ ছাড়া আগামী আড়াই থেকে তিনবছর সময় ক্ষেপন হবে যার ফলে খরচ বৃদ্ধি পাবে।
চলমান প্রকল্পটি আগামী একবছরের মধ্যেই সম্পন্ন করা সম্ভব বলে জানিয়েছে চুক্তিপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানটি।
প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে, দেশীয় গ্যাস সরবরাহ বৃদ্ধি, শত শত কোটি টাকা সাশ্রয় এবং আমদানি নির্ভরতা উল্লেখযোগ্য হারে কমে আসতো।

এ বিভাগের আরো সংবাদ
©2020 All rights reserved
Design by: POPULAR HOST BD
themesba-lates1749691102