
নিউজ ডেস্ক : সুখে–দুঃখে সাধারণ মানুষের পাশে থাকার প্রতিদান এখন জনগণ দিচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা-১৮ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন। তিনি বলেন, দলের দুঃসময়েও বিএনপি নেতাকর্মীরা সাধারণ মানুষের পাশে ছিলেন। দীর্ঘদিন নির্যাতন ও নিপীড়নের শিকার হলেও এই এলাকার মানুষ তা ভুলে যায়নি।
শনিবার (সকাল) দক্ষিণখান জয়নাল মার্কেটে গণসংযোগের শুরুতে আয়োজিত এক পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
এস এম জাহাঙ্গীর বলেন, “বিগত ১৭ বছর ধরে মানুষ তাদের ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত। গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠার আন্দোলনে তারেক রহমানের নির্দেশনায় এই এলাকার রাজনৈতিক ও অরাজনৈতিক সাধারণ মানুষ যুক্ত হয়েছেন। মানুষ বুঝতে পেরেছে—আন্দোলনের মাধ্যমেই নিজের অধিকার ফিরে পাওয়া সম্ভব।”
তিনি আরও বলেন, ভোটাধিকার প্রয়োগের জন্য যোগ্য প্রার্থী ও একটি ভালো দল নির্বাচনে মাঠে থেকেই কাজ করতে হবে। এই আশাবাদ নিয়েই সাধারণ মানুষ ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করছে। এ জন্য তিনি এলাকার নাগরিকদের অভিনন্দন জানান।
এসময় কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে এস এম জাহাঙ্গীর বলেন, “দুর্যোগ ও দুঃসময়ে এলাকার মানুষ আমাদের সবসময় কাছে পেয়েছে। আজ জনগণ আমাদের পাশে আছে। যতবার সুষ্ঠু নির্বাচন হয়েছে, মানুষ ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দিয়ে বিএনপিকে নির্বাচিত করেছে।”
তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, আগামী নির্বাচনেও এই এলাকার মানুষ বিএনপিকেই নির্বাচিত করবে। ১৯৯১ সালের পর থেকে এই এলাকায় যত উন্নয়ন হয়েছে, তার সবই বিএনপির হাত ধরে হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। ভবিষ্যৎ উন্নয়নের স্বার্থে ধানের শীষে ভোট প্রত্যাশা করেন এস এম জাহাঙ্গীর।
বক্তব্যে তিনি বলেন, “গত ১৭ বছরে দলের নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ যে নির্যাতন ও নিপীড়নের শিকার হয়েছেন, তার বিচার এই বাংলাদেশেই হবে। আমরা ক্ষমতায় গেলে যেন কোনো নিরপরাধ মানুষ আর নির্যাতনের শিকার না হয়, সে বিষয়টি নিশ্চিত করবো।”
তিনি সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, দুর্নীতি ও অপপ্রচারের বিরুদ্ধে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান। পাশাপাশি বিএনপি চেয়ারপারসন তারেক রহমানের ঘোষিত মানবিক রাষ্ট্র ও মানবিক সমাজব্যবস্থা গঠনে সবাইকে সহযোগিতার আহ্বান জানান।
এসময় তিনি জুলাই–আগস্টের গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটকে বিজয়ী করার আহ্বান জানান এবং বলেন, “ঢাকা-১৮ আসনে অপপ্রচার ও অপরাজনীতি করে কেউ পার পাবে না। এই এলাকার মানুষ আমাদের ব্যক্তিগতভাবে চেনে।”
সবশেষে তিনি বলেন, “আমরা জনগণের পাশে ছিলাম, আছি এবং থাকবো। সুদিনে চরিত্র হারাইনি, দুর্দিনে পালাইনি। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ধানের শীষে ভোট প্রত্যাশা করছি ।”