নিজস্ব প্রতিবেদক : আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ ঢাকা–১৮ আসনে রাজনৈতিক তৎপরতা দিন দিন জোরদার হচ্ছে। বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক এম. কফিল উদ্দিন আহমেদ সাম্প্রতিক সময়ে এলাকাব্যাপী জনসংযোগ, লিফলেট বিতরণ ও উঠান বৈঠকের মাধ্যমে বিশেষভাবে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন। তার নিয়মিত মাঠপর্যায়ের কার্যক্রমকে ঘিরে এলাকায় নানা আলোচনা চলমান।
বিএনপির ঘোষিত ‘রাষ্ট্র মেরামতের ৩১ দফা’ কর্মসূচি নিয়ে তিনি প্রতিদিনই ঢাকা–১৮-এর বিভিন্ন মহল্লা ও ওয়ার্ডে গিয়ে ভোটারদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলছেন। বড় সমাবেশ এড়িয়ে ঘরোয়া উঠান বৈঠকের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের মতামত শোনাকেই তিনি বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন।
দীর্ঘ চার দশক ধরে এলাকায় বসবাস ও কাজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে এম. কফিল উদ্দিন আহমেদ বলেন, “এই এলাকার মানুষের সঙ্গেই আমার জীবন জড়িয়ে আছে। জবাবদিহিমূলক রাজনীতির আদর্শ ধরে রেখে সব প্রতিকূলতার মাঝেও এলাকার সঙ্গ ছাড়িনি।” তিনি মনে করেন, মনোনয়ন পেলে স্থানীয় সমস্যা সমাধানে আরও সংগঠিতভাবে কাজ করতে পারবেন।
এলাকাবাসীর বিভিন্ন প্রতিক্রিয়া থেকে জানা যায়, বহু বাসিন্দা দীর্ঘদিনের মাঠপর্যায়ের সক্রিয়তার কারণে কফিল উদ্দিনকে গুরুত্ব সহকারে দেখছেন। তাদের ভাষ্যে—নানা সময়ে তার উপস্থিতি এবং যোগাযোগের ধারাবাহিকতা তাকে অন্যান্য সম্ভাব্য প্রার্থীদের তুলনায় আলাদা করেছে। অনেকে প্রকাশ্যেই বলছেন, বিএনপি যদি ধানের শীষ প্রতীক তার হাতে দেয়, তারা তা স্বাভাবিক হিসেবেই দেখবেন।
তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, মনোনয়ন প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ দলীয় সিদ্ধান্তনির্ভর এবং শেষ মুহূর্তে পরিবর্তনের সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যায় না। তাই তৃণমূলের জনপ্রিয়তা থাকলেও শেষ পর্যন্ত কৌশলগত বিবেচনায়ই সিদ্ধান্ত নেবে দল।
সব মিলিয়ে, ঢাকা–১৮ আসনে এম. কফিল উদ্দিন আহমেদের ধারাবাহিক প্রচারণা ও ভোটারদের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ এখন স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু। নির্বাচন যত ঘনিয়ে আসছে, ততই বাড়ছে আগ্রহ, প্রত্যাশা ও জল্পনা–কল্পনা।